• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

Advertise your products here

  1. জাতীয়

অবৈধ যানবাহনে ভরে গেছে বরগুনা


দৈনিক পুনরুত্থান ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০৪ পিএম
অবৈধ যানবাহনে ভরে গেছে বরগুনা

বরগুনা শহরের সড়কের অলি গলিতে দাপিয়ে  বেরাচ্ছে ব্যাটারি চালিত  এই যানবাহনগুলো। এসব অটো রিক্সার ও মিশুকের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বেড়েছে যানজট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং। বেশিরভাগ চালকই অদক্ষ ও  কম বয়সী কিশোর। অটো রিক্সা গুলোর অতিরিক্ত  হর্ন বাজানোর কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন।অধিক গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

গ্রামের বিভিন্ন গ্রাম্য বাজার থেকে অসংখ্য অটো রিক্সা ও মিশুক শহরের ভিতরে প্রবেশ করছে। পায়ে চালিত রিক্সা তো এখন দেখাই যায় না। এ সমস্ত অটো রিক্সার সরকারের কোন অনুমোদন নেই। নিয়ন্ত্রণ হীনতার অভাবে বেড়েই চলছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। প্রায়ই চোখে পড়ে বিভিন্ন অটো রিক্সার দুর্ঘটনার চিত্র। প্রতিটি অটো রিক্সা গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা বিদ্যুতের চার্জ দিতে হয়। প্রতিটি অটোরিক্সা ও মিশকের চারটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি থাকে এতে অনেক বিদ্যুতের ঘাটতি পরে।বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে।

বরগুনা হতে নিশানবাড়িয়া রোডে চলছে অসংখ্য অবৈধ যানবাহন যেমন,ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, মহেন্দ্র, টমটম,রেন্ট এ কারের বাইক এবং রোডমাস্টার খ্যাত সিএনজি। বরগুনা হতে নিশানবাড়িয়া রোডে সিএনজি এত  অধিক গতিতে চালানো হয় মনে হচ্ছে রাস্তা দিয়ে বিমান চলাচল করতেছে। খুব দ্রুত এ সমস্ত যানবাহনের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। প্রায়ই দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে এ ধরনের যানবাহন। 

বরগুনা -নিশানবাড়িয়া রোডে সর্বমোট ৫৬ টি সিএনজি চলাচল করে। অধিকাংশ সিএনজির কোন বৈধ  কাগজ পত্র নেই। সিএনজিগুলোর অধিকাংশ ড্রাইভার অদক্ষ। অধিকাংশ ড্রাইভারের নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স। 
বরগুনা সিএনজি সমিতির সভাপতি মোঃনিজাম কাজী বলেন,আমি সকল ড্রাইভারদেরকে নিয়ে একটা বৈঠকে বসবো। আমি সকলের সাথে কথা বলবো ড্রাইভাররা যাতে অধিক গতিতে গাড়ি না চালায় এ বিষয়ে সকলকে অবহিত করবো। 
বরগুনা জেলার সদর সার্কেল জনাব আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের এখানে ট্রাফিক বিভাগ আছে তারা অবৈধ যান, রেজিষ্টেশন বিহীন যানবাহনের কাগজ পএ নিয়োমিত চেক করে থাকেন।এছাড়াও বরগুনা থানা পুলিশের বিভিন্ন চেকপোষ্ট থাকে তারাও নিয়োমিত এ ধরনের কাজ করে থাকে।আমাদের অভিযান চলমান আছে।ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং কাগজ পএ ছাড়া গাড়ি চালানোর কোন সুযোগ নেই।বরগুনা নিশানবাড়িয়া রোডের অধিক গতিতে গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

এগুলো পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক মোঃ শফিকুল আলম বলেন,আমরা পৌরসভা থেকে অটো রিক্সা ৩৩০৯ টি,মিশুক ১৮০১ টি,ইজি বাইক ০৯ টির লাইসেন্স দিয়েছি। এই সমস্ত  গাড়ির লাইসেন্সের মেয়াদ  শেষ হয়ে গিয়েছে।নতুন লাইসেন্স করতে আমরা ৩০০০ টাকা নেই এবং নবায়ন করতে ২০০০ টাকা নেই।পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা এই টাকা নিয়ে থাকি। এর সরকারি কোন গেজেট নেই। বরগুনা সাধারন মানুষের দাবি প্রশাসনের মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে যাতে খুব দ্রুত পরিত্রাণ পেতে পারে।

দৈনিক পুনরুত্থান / বরগুনা জেলা প্রতিনিধি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন