পলাশবাড়ীতে ওসি মাসুদার রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদার রহমান মাসুদ এর বিরুদ্ধে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ করেছেন বিবাদী পক্ষের পলাশবাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুরুল তালুকদার।উক্ত টাকা ফেরত চেয়ে তিনি সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল আসাদুজ্জামান আসাদ এর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুরুল তালুকদার জানান, পারিবারিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ছেলের সাথে সাইফুল ইসলাম নামে এক গাড়ী চালকের মারামারি হয়। এ ঘটনায় কাউন্সিলর মঞ্জুরুল তালুকদারের ছেলেকে আসামী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে বাদী সাইফুল ইসলাম। অভিযোগের তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার এস আই আব্দুল আজিজ। এদিকে উক্ত ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে মিমাংসার জন্য পৌর মেয়র জননেতা গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব,প্যানেল মেয়র আব্দুস সোবহান, আসাদুজ্জামান শেখ ফরিদ, মঞ্জুরুল তালুকদার, মাহামুদুল হাসান সহ সকল কাউন্সিলর বৃন্দ থানা পুলিশের নিকট সময় প্রার্থনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আজিজ কাউন্সিলরকে মিমাংসা করার কথা বলে ২ হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন। এবং তিনি প্রাথমিক ভাবে ওসিকে ৫ হাজার টাকা দিতে বলেন।কাউন্সিল ওই দিনই নিজ হাতে ওসিকে নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। ১৭ এপ্রিল শনিবার ওসি মাসুদার রহমান মাসুদ এর চাহিদা অনুযায়ী আরো নগদ ১০ হাজার টাকা নিজ হাতে প্রদান করেছেন বলে দাবী করেছেন কাউন্সিলর মঞ্জুরুল তালুকদার। তিনি আরো জানান , কিন্তু দুঃখ জনক হলে ও সত্য ১৫ হাজার টাকা গ্রহণের পর ওসি মামলাটি গ্রহণ করেন। থানার রাইটার রাজ্জাক জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে যাহার নম্বর ১৩ তাং- ১৭/০৪/২০২১। টনাটি কিছুতেই মেনে নিতে না পেরে উক্ত কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়রবৃন্দ শনিবার রাতেই বিষয়টি সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল আসাদুজ্জামান আসাদ কে অবগত করেন এবং উক্ত টাকা ফেরতের জন্য তার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সহকারী পুলিশ সুপার বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আজিজ সাংবাদিককে বলেন আমি খুব ব্যস্ত পরে কথা হবে। তবে ওসি মাসুদার রহমান মাসুদ এ বিষয়ে সাংবাদিককে জানান কাউন্সিলর মঞ্জু সাহেব থানায় এসেছিলেন, মিমাংসার জন্য সময় নিয়েছিলেন, মিমাংসা করতে পারেনি বিধায় মামলা রুজু করা হয়েছে। টাকা প্রদানের বিষয়টি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন।

Comments: