অবৈধভাবে দখল হওয়া খালের দুই পাশ দখলমুক্ত করা হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

Publish: 1 month ago ( 1477)

অনলাইন ডেস্ক

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর খালসমূহের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার পাশাপাশি খালের দুই পাশ অবৈধভাবে দখল করে নির্মিত সকল ধরনের অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হবে। দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর, প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ‘অন্তর্র্বতীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র’ (এসটিএস) এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।এর আগে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের অধীন নন্দীপাড়া ব্রিজ (জিরানী খাল), সুখ নগর ব্রিজ (খিলগাঁও-বাসাবো খাল, জিরানী খাল, মান্ডা খাল ও সেগুনবাগিচা খালের সংযোগস্থল), পাম্প স্টেশন, কমলাপুর (টিটিপাড়া) বহিগমন বিশ্বরোড কমলাপুর খাল, শ্যামপুর খাল এবং পান্থকুঞ্জ পার্ক বক্স কালভার্ট পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।তাজুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুই মেয়র খালসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছেন। শুধু তাই নয় যারা এসব খাল দখল করে দুই পাশে ভবন নির্মাণসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন সেগুলো অপসারণ করছেন।মন্ত্রী জানান, নগরীর সকল খাল রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে দুই মেয়রকে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে অনেকগুলো সভা করে কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।ডেঙ্গু মশা নিধনে তাঁর মন্ত্রণালয় থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ায় এ মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন অ্যানোফিলিস ও কিউলেক্স মশা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।  আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সবাই মিলে এই সমস্যা থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দেয়ার জন্য কাজ করতে হবে।এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঢাকা শহরের খাল-নালা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে পারলে এসব মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে অনেকাংশে মুক্তি দেয়া সম্ভব।এ সময়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Comments: