ঝিনাইদহ কৃষি ব্যাংকে চরম অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ

কৃষি ব্যাংকের ঝিনাইদহ শাখার ব্যবস্থাপক ব্যাংকে অফিস সময়ে উপস্থিত থাকেননা। তাই ‘আইও’রাও চলে তাদের ইচ্ছে মতো। গুরুত্ব পাচ্ছেনা সাধারণ গ্রাহকরা। সরেজমিনে উপস্থিত জনৈক গ্রাহকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সততা অয়েল মিলসের জন্য সিসি লোনের নবায়ন আবেদন নিয়ে দীর্ঘদিন ঘুরছেন তারা। ঋণের সুদ সহ নবায়নের টাকা জমা অনেক আগেই জমা দিলেও দীর্ঘদিন যাবত ঘুরতে হচ্ছে তাদের। লোনের আইও আজম আলীকে গ্রাহকের কথায় উত্তর দেন না। টেবিলে বসে পারিবারিক খোস গল্প মেতে থাকেন। গ্রাহকদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করেননা। গরীব খেটে খাওয়া কৃষকদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটির ঝিনাইদহ শাখা যেন হয়রানীর চরম ক্ষেত্র মমের্ েব্যাপক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এই শাখার ম্যানেজারেরও একই অবস্থা তিনিও গ্রাহকদের সাথে দুরত্ব বজায় রেখে চলেন। কোন গ্রাহক না বুঝলে তার কাছে সহযোগীতা চাইলে তিনি আইও দের দেখিয়ে দিয়ে দায় সারেন। আজও দুপুর বারটার পর থেকে তিনি ব্যাংকে অনুপস্থিত। তার আশপাশের কর্মকর্তারাও বলতে পারেন না তিনি কোথায় আছেন। তার কাছে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ফাইল থাকে সেটির প্রয়োজন হলেও ঘন্টার ঘন্টা ব্যাংকে বসে সময় নষ্ট হচ্ছে গ্রাহকদের। এবিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপক রুবায়েত হাসান এর সাথে কথা বলতে চাইলে তার ০১৭১২১৯৬২৫ মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি। এভাবে একটি সরকারি ব্যাংকের অব্যবস্থাপনায় হয়রানী হচ্ছে ঝিনাইদহবাসী। এর প্রতিকার চেয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

 

 

Comments: