মিয়ানমারে বিজিবি-বিজিপি সীমান্ত সম্মেলন শুরু

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর মধ্যে ৮ম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে।

 

বিজিবি এবং বিজিপির মধ্যে ৫ দিনব্যাপী এই সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় মািয়ানমারের রাজধানী ‘নেপিতো’ (ঘধু চুর ঞধ)ি-তে শুরু হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ (এসপিপি, এনএসডব্লিউসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি) “এর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। 

 

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অপরদিকে, ডেপুটি চীফ অব মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স”র পুলিশ মেজর জেনারেল অং নেইং থুর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। মিয়ানমার প্রতিনিধিদলে বিজিপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও সে দেশের প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

 

সম্মেলনে-সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, আকাশ সীমা লংঘন, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা ও (ক্রিস্টাল মেথ) আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধ, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা/পতাকা বৈঠক আয়োজন, আটককৃত/সাজাভোগকৃত উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমার নাগরিকদের তাদের মূল আবাসভূমিতে প্রত্যাবর্তন এবং বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় নিয়ে অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হবে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন বিজিবি জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: শরিফুল ইসলাম। উল্লেখ্য, ২৪ নভেম্বর শুরু ৫ দিনের এই সীমান্ত সম্মেলন শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।

Comments: