একজন পরীক্ষিত বন্ধুকে হারালো বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

শুক্রবার (১৩ মে) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক বিবৃতিতে তারা এই শোক প্রকাশ করেন। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশে একজন পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধুকে হারালো।

 

প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বাণীতে বাংলাদেশিদের জন্য আমিরাতের মরহুম প্রেসিডেন্টের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। তারা প্রয়াত প্রেসিডেন্টের পরিবার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

শুক্রবার বিকেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মৃত্যুর খবর জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএম। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। এরই মধ্যে দেশটির রাষ্ট্রপতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় শুক্রবার থেকে ৪০ দিনের জন্য আনুষ্ঠানিক শোক ছাড়াও পতাকা অর্ধনমিত করার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া তিন দিনের জন্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, ফেডারেল এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসহ বেসরকারি খাতেও কাজ স্থগিত রাখা হবে।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ারটির নাম প্রয়াত শাসকের নামে বুর্জ খলিফা রাখা হয়। শেখ খলিফা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট এবং আবু ধাবির ১৬তম শাসক ছিলেন। ১৯৪৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আমিরাতের আল মুওয়াইজি ফোর্টে জন্মগ্রহণ করেন শেখ খলিফা। আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের জ্যেষ্ঠ পূত্র ছিলেন তিনি।

 

পুনরুত্থান/সালেম/সাকিব/এসআর

Daily Punorutthan

Comments: