LATEST
ঢাবির হল খোলা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কাল আগামী প্রজন্মের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে উন্নত দেশগুলোর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী নারী মন্ত্রণালয় বাতিল করে 'পাপ ও পুণ্য' মন্ত্রণালয় গঠিত হচ্ছে আফগানিস্তানে মোদির জন্মদিনে ২ কোটির বেশি টিকা দেওয়ার রেকর্ড ইতালিতে সব কর্মজীবীদের জন্য কোভিড-১৯ 'গ্রিন পাস বাধ্যতামূলক উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টিপাতে ৩৮ জনের মৃত্যু নিরাপত্তা শঙ্কায় সফর বাতিল,পাকিস্তান ছাড়ছে কিউইরা জেমিকে অব্যাহতি, বাংলাদেশের নতুন কোচ অস্কার ৭১টি গোলাপ দিয়ে মোদিকে জন্ম‌দি‌নের শু‌ভেচ্ছা জানা‌লেন শেখ হা‌সিনা ফিনল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মাদককে নির্মূল নয় মাদক কারবারিদের নিয়ে বাণিজ্য করাই এ এস আই মুরাদের লক্ষ্য

Publish: 1 month ago ( 1052)

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর বাড্ডা থানা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মূল না করে মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে ঘুষ বাণিজ্যই যেন একমাত্র উদ্দেশ্য সহকারী উপ পরিদর্শক মুরাদের। প্রতিদিন মাদক কারবারিদের ধরতে একাধিক সোর্স ব্যবহার করে হন্ন হয়ে বাড্ডা থানার বিভিন্ন এলাকা দাপিয়ে বেড়ান এই পুলিশ সদস্য । গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যা ৭:৩০ দিকে মধ্য বাড্ডা ফুট ওভার ব্রীজের নীচ থেকে মাঝ সড়ক দিয়ে আসার সময় এক মাদক কারবারিকে ধরতে পিছু নেন কয়েক জন সোর্স অঅর তাদের ঠিক পিছনে একজন পুলিশ সদস্য। বাড্ডা লিংক রোড থেকে মাদক ব্যবসায়ী ধরা পড়ে কথাগত্থিত সোর্সদের হাতে। এরইমধ্যে একজন পুলিশ সদস্য হাজির হ্যান্ড কাপ হাতে পরে সেই মাদক ব্যবসায়ীকে হ্যান্ড কাপ পরিয়ে নিয়ে আসা হয় মধ্য বাড্ডা ফুট ওভার ব্রীজের কাছে একটি আবাসিক বোডিংয়ে । একই সময় অন্য এক বাইকে অন্য আর একজন মাদক কারবারিকে নিয়ে আসা হয় সেই বোডিংয়ে। দীর্ঘ সময় তল্লাশির পর উদ্ধার করা হয় বিপুল সংখ্যক মাদক। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পৌঁছানো হয় আটক ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছে । খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন বোরকা পরিহিত দুজন নারী  এদের মধ্যে একজন আটক মাদক কারবারী মিন্টু স্ত্রী ও অন্য জন অজ্ঞাত নামা অন্য ব্যক্তির স্ত্রী। একজনের স্ত্রীকে ভিতরে নিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হলো বাড্ডার অতি পুরাতন অসংখ্য অভিযোগে চিহ্নিত অভিযুক্ত সোর্স বিপ্লবের সাথে এবং বলা হয় স্বামীকে বাচাঁতে ঠিক কি করতে হবে তাকে। কিন্তু ঘটনাস্থলে শুরু থেকেই কয়েক জন সংবাদকর্মী তাদের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সোর্সদের মধ্যে একজন সংবাদ কর্মীদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ভিতরে থাকা পুলিশ সদস্যকে সতর্ক বার্তা পাঠান। এদিকে ভিতরে আটক মাদক ব্যবসায়ী মিন্টুর স্ত্রীকে আর ভিতরে না পাঠিয়ে খুব কৌশলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পুলিশের প্রস্তাব সম্পর্কে বুঝানো হয়। পরবর্তীতে দেখা যায়, আটক মাদক কারবারির স্ত্রী অসংখ্য বার বেশ সময় ধরে মোবাইলে থেমে থেমে তার নিকট আত্মীয় স্বজনদের সাথে পুলিশের প্রস্তাবিত চাহিদা পুরণের ব্যবস্থা করতে যোগাযোগ করছে। একজন সংবাদ কর্মী তার কাছাকাছি গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি বলেন পুলিশ বলেছে ১০,০০০ হাজার টাকা দিতে আর অন্য আরোও মাদক কারবারিদের খবর দিতে তা না হলে তার স্বামীকে ছাড়া হবে না। তাই বিকাশে টাকা আনার চেষ্টা করছি। তার কথার সত্যতা নিশ্চিত হতে কৌশলে সোর্স বিপ্লবকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে বা তাদের কাছ থেকে কি ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়েছে প্রশ্ন করা হলে কেউ জবাবে বলে ওদের কাছে কিছু পায়নি কিন্তু অন্য একজন সোর্স বলে না আট পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। তখন বিপ্লব তার দিকে আড় চোখে তাকিয়ে বললো ছাড়ার কোন সিস্টেম নাই যদিও ছাড়ে তাহলে ডিএমপি এ্যাক্টে চালান দিবে। সোর্স বিপ্লব সংবাদ কর্মীদের স্থান থেকে সড়াতে সন্তূষ্টমূলক কথা বলে। অতঃপর আপনারা আমাদের ভাই ব্রাদার ডিস্টাব কইরেন না স্যারেরা খুব ভালো লোক হয়তো আপনাদের সাথে সম্পর্ক নাই। আমার টিমে ৬ জন সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো আমার নাম্বার রাখেন কিছু করতে পারলে  আপনাদেরটা পৌঁছে যাবে। কিছু সময় পরে বোডিংয়ের ভিতর থেকে সহকারী উপ-পরিদর্শক মুরাদসহ দুই জন পুলিশ সদস্য সিভিল পোশাকে বের হন পিছনে সোর্স কাওসার মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু ও অপর মাদক ব্যবসায়ীকে হাত কড়া পড়িয়ে মোটরসাইকেলে করে থানার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছে। একজন সংবাদ কর্মী এ এস আই মুরাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন দুজনের কাছে ২০ পিস ইয়াবা পাওয়া গিয়েছে। থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মামলা দেওয়া হবে। তার নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের নিয়ে গেলো সহকর্মীরা। যাওয়ার আগে বিপ্লবকে নির্দেশনা দেওয়া হলো মিন্টুর স্ত্রীকে সংবাদ কর্মীদের কাছে কিছু না বলতে । মিন্টুর স্ত্রীও সংবাদ কর্মী  আছে বুঝতে পেরে পূর্বের কথাগুলো এড়িয়ে যান এবং থানার উদ্দেশ্রে রওনা দেন। থানার কাছাকাছি একটি বিকাশের দোকান থেকে দশ হাজার টাকা উঠিয়ে থানার ভিতরে প্রবেশ করেন। ততক্ষণে সংবাদ কর্মীরাও থানার সামনে অবস্থান করে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করে। একসময় সংবাদ কর্মীরা ভাবছে যেহেতু থানায় এনেছে তাহলে হয়তো তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মামলা দিবে তাই সবাই চলে গেছে। পরের দিন  (৩১ জুলাই) বাড্ডা থানায় ঐদিন কতজন আসামীকে কি কি মামলায় কোর্টে চালান করা হয়েছে সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে একজন সেরেস্তা বলেন আজকে মাদকের কোন মামলায় কাউকে কোর্টে চালান করা হয়নি যাদের চালান করা হয়েছে সেটা ডিএমপি এ্যাক্টে এতক্ষনে সবাই কোর্ট থেকে তাদের বাড়িতে চলে গেছে। তাহলে কি সেই পূর্বে ঘটনাস্থলে দাড়িয়ে বলা সোর্স বিপ্লবের কথাই সঠিক যাহা। প্রতিবেদনের মূল ঘটনা বাড্ডা ফুট ওভারব্রিজের সাথে ঘটনা স্থল ঢাকা বোডিংয়ের সিসি ক্যামেরা ও থানার রোডের স্থাপিত ফুটেজ পর্যালোচনা করলে প্রতিবেদকের প্রতিবেদনের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং প্রতিবেদকের মোবাইল ফোনে গোপনে ধারণ করা সংরক্ষিত ভিডিও ফুটেজ দেখলে মূল ঘটনা অনুধাবন করা যাবে। এ বিষয়ে এ এস আই মুরাদের কাছে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক মামলায় চালান না করে নন এফ আই আর নিয়মে চালান করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সবকিছু ওসি(বাড্ডা)জানেন কিছূ জানতে চাইলে আপনি তাকে ফোন দেন। তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে না কোর্টে আছে না জেলে আছে,আমার থানার সকল কর্মকান্ড ওসি জানে সে সব কিছু জবাবাদিহি করবে। তাৎক্ষণিক ওসি বাড্ডার সরকারী মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Comments: